Widget-1 title

Widget-2 title

Widget-3 title

Ma Compute Training Center (Add)

Ma Computer Training And Servicing Center
Singapore Super Market, Takter Chala Bazer, Mirzapur, Tangail 
Pro: Md.Rafikul Islam (Computer Teacher and Hardware Engineer)
Mobile: 01745-420388, 01721-859792


Course Name
Program Name
Course Duration



Application Course


1. Computer Concept
2. Windows Fundamental
3. Microsoft Word
4. Microsoft Excel
5. Microsoft PowerPoint
6. E-mail
7. Internet Basic



(3 Months)





Multimedia Course
1. Computer Concept
2. Windows Fundamental
3. Microsoft Word
4. Microsoft Excel
5. Microsoft PowerPoint
6. E-mail
7. Internet Basic
8. Chat, Video Calling
9. Web Page Design, Hosting, Registration
10. Adobe Photoshop CS
11. Video Editing
12. Macromedia Flash (SWF)





(6 Month)








Hardware Course
1. Computer Concept
2. Windows Fundamental
3. Microsoft Word
4. Microsoft Excel
5. Microsoft PowerPoint
6. E-mail
7. Internet Basic
8. Chat, Video Calling
9. Web Page Design, Hosting, Registration
10. Adobe Photoshop CS
11. Video Editing
12. Macromedia Flash (SWF)
13. Computer Networking
14. Computer Assembling
15. Computer Hardware Troubleshooting
16. Computer Software Installation
17. Desktop & Laptop Servicing
18. Operating System Repair
19. Operating System (Windows) Setup
20. Windows Xp & Seven  Customize CD









(1 Years)









Ma Computer Training And Servicing Center,
Singapore Super Market, Takter Chala Bazer, Mirzapur, Tangail,
Pro: Md.Rafikul Islam (Computer Teacher and Hardware Engineer)
Mobile: 01745-420388, 01721-859792,
[ Read More ]

Posted by Copy Paste Hacker 0 comments»

এমএস অফিস সাইলেন্ট ইনস্টলেশন

জনপ্রিয় অফিস সফটওয়ারের লিস্টে MS Office 2003 সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়দের মধ্যে অন্যতম একটি। কারণ এর ব্যবহার খুবই সহজ এবং সর্বাধিক সুযোগ সুবিধার প্রায় সবই আছে। তাছাড়া এর আউটলোকিংটাও সুন্দর। অনেকেই অনুরোধ করেছেন এ ভার্সনটার সাইলেন্ট ইনস্টল কিভাবে তৈরি করা যায় তা নিয়ে লেখার জন্য। বিদ্যুৎ যন্ত্রণার পর কয়েকদিন ব্যায় করে তৈরি করলাম অফিস সাইলেন্ট ইনস্টলের টিউটোরিয়াল। আমার এ পদ্ধতিতে প্রায় সব ভার্সনের অফিসকে নিজের মত করে সাইলেন্ট ইনস্টল করা যাবে। তবে অপিস২০০৭ XP-SP2 তে ইনস্টল করতে ঝামেলা হতে পারে। আমি Office2003 নিয়ে কাজ করেছি।

কিভাবে করবেনঃ
কাজটি আমি বেশ কয়েকভাবে করে দেখেছি। কোন সমস্যা ছাড়াই হয়েছে সবগুলো। তবে সবগুলো পদ্ধতি খুব সহজ নয় আবার এখানে বর্ণনা করাও সম্ভব নয়। তাই নতুন ইউজারদের জন্য বুঝতে সুবিধা হবে এমন একটি পদ্ধতি নিয়ে এখানে আলোচনা করেছি আমি। কাজটি করার জন্য আপনার লাগবে MS Office 2003, Office 2003 Resource Kit Tools। প্রয়োজনীয় সব কিছু সংগ্রহ করে কাজ শুরু করুন। আমি ৫টি পর্বে কাজগুলো করেছি।

১। অফিস ফাইল কপি করুনঃ
আগেই বলেছি কাজটি করার জন্য আমাদের দরকার হবে MS Office 2003। না থাকলে কারো কাছ থেকে সংগ্রহ করে নিন। পর্যায়ক্রমে কাজগুলো আমি বর্ণনা করেছি।

ক) আপনার MS Office 2003 সফটওয়ারের পুরো ফোল্ডারটি কোথাও রাখুন। হার্ডডিস্ক, ইউএসবি বা সিডি ড্রাইভের যেকোন জায়গায় থাকতে পারবে। আমি আমার সিডি থেকে কপি করে E:\MS OFFICE 2003 ঠিকানায় রেখেছি।

খ) হার্ডডিস্কের কোন এক জায়গায় Office2003 নামে একটি ফোল্ডার খুলোন। আমি F: ড্রাইভে খুলেছি।



গ) Start Menu থেকে Run(Shortcut=Windows Key+R) যান। ব্রাউজ করে আপনার MS Office 2003 ফোল্ডারে থাকা Setup.exe ফাইলটি দেখিয়ে দিন। আমার সেটাপ ফাইলটি E:\MS OFFICE 2003\Setup.exe এ আছে। এরপর একটা স্পেস দিয়ে /a দিন। তাহলে আমার ফাইলটির জন্য পুরো লাইনটা হবে "E:\MS OFFICE 2003\SETUP.EXE" /a  এর মত।  

অতিরিক্ত হিসেবে “” চিহ্ন ব্যবহার করেছি। ঐ চিহ্ন অনেক সময় এমনিতেই চলে আসে। /a দেয়ার কারণে Office2003 ইনস্টল না হয়ে এর ফাইলগুলো কপি হবে শুধু। আমাদের উদ্দেশ্যও সেটাপ না করে ফাইলগুলো কপি করা।

ঘ) উপরের কাজটি করার পর এন্টার বা OK চাপুন। তাহলে আপনার সামনে OFFICE 2003 এর উইন্ডো আসবে।

সেখানে আপনি Organization, Install Location, Product Key দিন। Install Location এর জায়গায় ব্রাউজ করে F:\Office2003\ দেখিয়ে দিন। Product Key এর জায়গায় আপনার সংগ্রহে থাকা  Product Key দিন। ভুল হলে কাজ হবে না। সব শেষে Next দিন।

ঙ) Next দেয়ার পর লাইসেন্স এগ্রিমেন্ট আসবে। Accept করে Install এ ক্লিক করুন। প্রসেস শুরু হবে।
অপেক্ষা করুন। মনে হবে যেন অফিস নতুনভাবে সেটাপ হচ্ছে। আসলে ফাইলগুলো আমাদের দেয়া জায়গায় কপি হচ্ছে। /a দেয়ার কারণে Office2003 ইনস্টল না হয়ে এর ফাইলগুলো কপি হবে শুধু। আমাদের উদ্দেশ্যও সেটাপ না করে ফাইলগুলো কপি করা। কপি হওয়া শেষে Successful মেসেজ আসবে। OK দিয়ে মেসেজটি ক্লোজ করুন। কপির পর এর সাইজ হবে 624 MB এর মত। নিচের মত দেখাবে। ১ম পর্ব শেষ।



২। অফিস২০০৩ কাস্টমাইজ করুনঃ
এ পদ্ধতিতে আমরা আমাদের অফিস২০০৩ কে মনের মত করে কাস্টমাইজ করবো। যার যার পছন্দমত সাজিয়ে নেয়া যাবে এ পদ্ধতিতে। এ পর্বে কেউ ইচ্ছে করলে ফন্ট ইনস্টল, অফিস রিলেটেড অন্যান্য সফটওয়ারও ইনস্টল করতে পারেন। অফিস সেটাপ শেষ হওয়ার পর অটোমেটিক এগুলো ইনস্টল হয়ে যাবে। তবে আমি সেগুলো দেখাব না।

এ কাজটির জন্য ২৪ টি উইন্ডো আসবে। উইন্ডোগুলোতে উপরের বামপাশে টাইটেল এবং ডানপাশে সিরিয়াল নং থাকবে। প্রতিটিতে কাস্টমাইজের জন্য বিভিন্ন অপশন থাকবে। আপনার প্রয়োজনীয় কোন অপশন থাকলে প্রয়োগ করুন আর কোন কিছু না বুঝলে সরাসরি Next দিন। অসংখ্য সেটিংস এখানে পাওয়া যাবে যা নিজের পছন্দমত সেট করা যায়। আমি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উইন্ডো নিয়ে আলোচনা করবো।


ক) Office 2003 Resource Kit Tools ইনস্টল করার পর Start Menu\Programs\Microsoft Office\Microsoft Office Tools\Microsoft Office 2003 Resource Kit এ গিয়ে Custom Installation Wizard রান করুন।

খ) কাস্টমাইজ করার জন্য প্রথম উইন্ডো এটি। Next দিন।


গ) Open the MSI File উইন্ডো আসবে। ওখানে ব্রাউজ করে F:\Office2003\PRO11.MSI দেখিয়ে দিন। অফিসের অন্যান্য ভার্সনে Proplus.msi বা এ রকম থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে সেটিই ব্যবহার করতে হবে।  F:\Office2003 হল কিছুক্ষণ আগে কপি করা আমাদের অফিস ফাইলের ফোল্ডারটি। Next দিন।

ঘ) Create New MST file ফাইলে চেক দিয়ে Next দিন।


ঙ) এখানে MST ফাইলের নামও পথ দেখিয়ে দিতে হবে। আমরা MST ফাইলের নাম দেব Unattended.MST। আর এটি তৈরি করবো F:\Office2003\ ঠিকানায়। অর্থাৎ একই জায়গায়। তাহলে Name and Path of MST file  MST ফাইলের জন্য পুরো পথ এড্রেস হবে  F:\Office2003\Unattended.MST। এরকম দিয়ে Next দিন।

চ) Next দিয়ে দিয়ে Set Features Installation States পর্বে আসুন।

এখানে আপনি অফিসের সব ফিচার পাবেন। সেটাপের সময় যেভাবে সেট করেন সেভাবেই সেট করে Next দিন।

ছ) Customize Default Application Settings উইন্ডোতে আসুন। এখানে অফিসের পূর্ব কোন সেটিংস ফাইল থাকলে তা ব্রাউজ করে দেখিয়ে দিন। যদি না থাকে তাহলে যেভাবে আছে সেভাবে রেখে Next দিন। এতে কোন সমস্যা নেই। আমি পূর্বের সেটিংস ব্যবহার করেছি তাই সেটিংস ফাইল ব্যবহার করেছি। সেটিংস ফাইল কিভাবে তৈরি করে তা দেখার জন্য ৫নং পর্বে MS Office 2003 Profile Settings টিউটোরিয়ালটি দেখুন।

জ) Change Office User Settings উইন্ডোতে এ আসুন। এখানে আনলিমিটেড সেটিংস পাবেন। প্রোফাইল সেটিংস এড করে থাকলে এটা তেমন কাজে আসবে না। এখানে আপনার প্রোফাইল সেটিংসগুলো বিশেষ করে থাকে।

 + চিহ্নতে ক্লিক করে করে ডানপাশের সাইটে প্রয়োজনীয় সেটিংস এ যান। সেটিংসটিতে ডাবল ক্লিক করুন। Apply Changes আর নিচের ঘরে চেক মার্ক দিয়ে OK দিন। এভাবে যত সেটিংস করতে চান করে নিন। Next দিন।


ঝ) Add/Remove উইন্ডোতে আসুন। যদি আপনি অফিস প্যাক থেকে কোন সফটওয়ার বাদ দিতে চান তাহলে Remove Files এ ক্লিক করে Add এ এর মাধ্যমে ফাইলটি লিস্ট থেকে দেখিয়ে দিন। এভাবে যতটা ইচ্ছা দিন। সেটাপের সময় ফাইলটি রিমোভ হয়ে যাবে।
আর যদি কোন ফাইল এড করতে চান তাও করতে পারেন। প্রয়োজনে আপনার সমস্ত সফটওয়ার এড করতে পারেন। তবে সাইলেন্ট সুইচ লাগবে। Next দিন।

ঞ) Add/Remove Registry Entries উইন্ডোতে আসুন। আপনি যদি অফিসের কোন রেজিস্ট্রি ফাইল আগে তৈরি করে রাখেন তাহলে এখান তা  Add করতে পারবেন। এড করা থেকে ডিলিট করতে চায়লে তাও পারবেন।

ট) Add, Modify or Remove shortcut উইন্ডোতে আসুন। ধরুন আপনি এমএসওয়ার্ডের একটা শর্টকাট ডেস্কটপে নিতে চান। এ কাজটি এখানে করতে পারবেন। আমি Word আর Excel এর শর্টকাটকে ডেস্কটপে নিয়েছি।

এজন্য Add এ ক্লিক করুন। Target এ পছন্দের সফটওয়ারটির নাম, Location এ কোথায় শর্টকাট চান এবং Name এ শর্টকাটটির নাম কি হবে তা ঠিক করুন। অন্যান্য ঘরগুলোও প্রয়োজন মনে করলে পূরণ করুন।


ঠ) এরপর Next দিয়ে দিয়ে শেষ পর্যায়ে চলে আসুন। এটি ২৪/২৪ তম উইন্ডো। Finish বাটনে ক্লিক করুন। 

তাহলে আপনার MST ফাইলটি তৈরি হবে আপনার দেয়া সেটিংস অনুযায়ী। এরপর Exit এ ক্লিক করুন। F:\Office2003 এ আপনার সেটিংস করা Unattended.MST ফাইলটি তৈরি হয়ে গেছে।

কোন সেটিংস বাকি আছে পুণরায় করতে হবে এমনটা চায়লে Exit দেয়ার আগে Back বাটনের মাধ্যমে আপনি ইচ্ছে করলে পিছনেও যেতে পারেন। আর উপরের ডানকোণায় ড্রপডাউন চিহ্নতে ক্লিক করে নির্দিষ্ট উইন্ডোতেও যাওয়া যাবে এবং কাজ করা যাবে।

যদি পুরো ২নং পদ্ধতিটি করতে না চান বা খুব কঠিন মনে হয় তাহলে আমার তৈরি Unattended.MST ফাইলটি ডাউনলোড করে F:\Office2003 এ পেষ্ট করুন। তাহলে ২নং পদ্ধতিটি আপনাকে করতে হবে না এবং আমার করা সেটিংসগুলোই পাবেন। আমার সেটিংসগুলো প্রায় সবার কথা চিন্তা করেই করা হয়েছে। তাই আশাকরি আপনারও অপছন্দ হবে না।
Unattended.MST সহ অন্যান্য ফাইল
আমাদের অফিস২০০৩ কাস্টমাইজ করা শেষ। এবার সাইলেন্ট ইনস্টল তৈরি করার পালা।

৩। সাধারণ সেটাপের জন্য Silent Install তৈরি করাঃ
উপরের ১ নং ও ২ নং কাজগুলো সঠিকভাবে করার পর এ পর্ব শুরু করবেন। আমরা দু উদ্দেশ্যে Silent Install তৈরি করবো। একটি হল পিসিতে স্বাভাবিকভাবে ইনস্টল করার জন্য। অন্যটি হল কাস্টমাইজ এক্সপিতে যুক্ত করার জন্য। যারা সাধারণত ট্রাবলশ্যুটিং এর কাজ করেন এবং তাড়াতাড়ি অফিস সেটাপের কাজটা করতে হয় তাদের জন্য এ পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে একবার ডাবল ক্লিকে পুরো অফিস সেটাপ হয়ে যাবে নিজের সেটিংস মত। আর এ পদ্ধিতি কাস্টমাইজ এক্সপির জন্য ব্যবহার করবে না। কাস্টমাইজ এক্সপির জন্য নিচের ৪নং পর্বে চলে যান।


ক) Office2003_Silent.cmd ফাইলটি ডাউনলোড করে আমাদের কাস্টমাইজ করা অফিস ফাইল F:\Office2003\ এ পেষ্ট করুন।

খ) এবার Office2003 ফোল্ডারটি কপি করে আপনার পেনড্রাইভ বা পছন্দের জায়গায় রেখে দিন। যখন সাইলেন্ট ইনস্টল করার প্রয়োজন হবে তখন Office2003 ফোল্ডারে থাকা Office2003_Silent.cmd ফাইলটিকে ডাবল ক্লিক করলেই হবে। সাথে সাথে ইনস্টল শুরু হবে এবং আমাদের কাস্টমাইজ করা সব সেটিংস নিয়ে পূর্ণাঙ্গ সেটাপ শেষ হবে। সেটাপ শেষ হওয়া পর্যন্ত কোন কাজ করতে হবে না।  

৪। কাস্টমাইজ এক্সপির জন্য হটফিক্সঃ
যারা এক্সপিতে Silent Install এর জন্য হটফিক্স হিসেবে অফিস সফটওয়ার চাচ্ছেন তাদের জন্য এ পদ্ধতি। ধাপগুলো অনুসরণ করুন।


ক) F ড্রাইভে যান এবং আমাদের কাস্টামইজ করা বা ২ নং পর্বে তৈরি করা Office2003 ফোল্ডারটি কপি করুন। এতে ঐ ফোল্ডারে থাকা আমাদের কাস্টমাইজ করা অফিস সহ সব কপি হবে। এটি পরের স্টেপে পেষ্ট করবো।

খ) আমাদের তৈরি করা  কাস্টমাইজ এক্সপির সিডিতে $OEM$ নামে একটি ফোল্ডার তৈরি করেছিলাম মনে আছে নিশ্চয়। ঐ ফোল্ডারে $1 এবং $$ নামে দুটি ফোল্ডারও ছিল তাও নিশ্চয় মনে আছে। মনে না থাকলে পর্বটি আবার দেখুনসেই কাস্টমাইজ সিডি$1 ফোল্ডারে ঢুকুন এবং কিছুক্ষণ আগে (ক) নং এ  কপি করা Office2003 ফোল্ডারটি ওখানেই পেষ্ট করুন। আমরা কাস্টমাইজ সিডিটি F:\Customize XP ফোল্ডারে। তাহলে হবে পুরো এড্রেস হবে F:\Customize XP\$OEM$\$1\Office2003।

গ) Office2003_XP_Addon.exe ফাইলটি ডাউনলোড করে F:\Customize XP\$OEM$\$1\Office2003 ফোল্ডারে রাখুন। Finally নিচের মত দেখাবে।

ঘ) Nlite এর Runonce এ গিয়ে নিচের কমান্ডটি যোগ করুন। হুবহু কপি পেষ্ট করে দিন।
 "%systemdrive%\Office2003\Office2003_XP_Addon.exe" 
চারটি কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করুন। এবার আপনার সিডিটি ভার্সুয়াল পিসিতে টেস্ট করে দেখুন। এ পদ্ধতিতে অফিস সাধারণ নিয়মের চেয়ে দ্রুত ইনস্টল হবে। তবে কেউ জিপ করার চেষ্টা করবেন না। এতে সেটাপে দীর্ঘ সময় লাগবে। আমাদের কাস্টমাইজ সিডি যত দ্রুত সেটাপ হবে ততই ভাল।

৫। MS Office 2003 Profile Settings তৈরি করুনঃ
অফিস সেটাপ করার পর আমরা MS Word MS Excel সহ অন্যান্য অফিস সফটওয়ারগুলোতে অনেক সেটিংস করি নিজেদের পছন্দমত। প্রতিবার সেটাপের পর এই সেটিংসগুলো করা খুব বিরক্তিকর। চায়লে এ সেটিংসগুলো সেভ করে রাখা যায় এবং পরবর্তীতে তা সেটও করা যায়। আর কাস্টমাইজ করার সময় তা যুক্তও করা যায় যা আমরা ২ এর (ছ) নং এ পদ্ধিতে করেছি। কিভাবে করে তা নিচে দেখার চেষ্টা করি।

ক) Start Menu\Programs\Microsoft Office\Microsoft Office Tools\Microsoft Office 2003 Resource Kit এ গিয়ে Profile Wizard রান করে Next দিন।

খ) ওখানে Save the Settings from this machine এবং Restore previously saved settings নামে দুটি অপশন আছে। আমরা নতুন তৈরি করবো তাই Save the Settings from this machine দেব। (যাদের আগের তৈরি করা আছে তারা Restore previously saved settings অপশনটি ব্যবহার করবেন।) ব্রাউজ করে ফাইলটি কোথায় সেভ করবেন তা দেখিয়ে দিন। একটা নাম দিন। আমি ডেস্কটপে দিয়েছি। এরপর কোন কোন সফটওয়ারেরর সেটিংস চায় সেই সফটওয়ারগুলোতে ঠিক চিহ্ন দেব। আমি Word আর Excel এ ঠিক চিহ্ন দিয়েছি।

ঙ) উপরের (খ)  স্টেপটি শেষ হলে Finish এ ক্লিক করুন। শেষ হলে Exit দিন।
[ Read More ]

Posted by Copy Paste Hacker 0 comments»

হিরেনসবুট সিডি বুট করুন পেনড্রাইভ থেকে (By Kamrulcox)

undefined

হিরেনসবুট সিডি বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় একটি বুট সিডি। এতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ টুল আছে যা একসাথে সংগ্রহ করতে গেলে কয়েকমাস অনলাইনে ভ্রমন করতে হবে। কিন্তু এত সব টুল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে হিরেনসবুট সিডিটি। তবে এখানে কিছু প্রফেশনাল টুল এড করা হয়েছে বলে অনেকে সমালোচনা করে থাকেন। তারপর এ সিডিটির প্রশংসা না করে পারা যায় না। তারউপর সিডিটি একদম ফ্রি। এতদিন এটি সিডি আকারে ব্যবহার করে থাকলেও এখন ইচ্ছে করলে পেনড্রাইভেও এটি ব্যবহার করা যাবে। নিচে দেখানো হল কিভাবে কাজটি করতে হবে।


কিভাবে করবেনঃ
১। প্রথমে আপনার পেনড্রাইভটি কানেক্ট করুন। তারপর যত ডাটা ওখানে আছে সব কপি করে কোথাও সেভ করে রাখুন। কারণ পেনড্রাইভটি ফরমেট করতে হবে।

২। USB Disk Storage Format টুলটি ডাউনলোড করে রান করুন। নিচের চিত্র অনুসরণ করে পেনড্রাইভটি ফরমেট করুন। ফরমেট টুলটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে বা এখান থেকে।
undefined

৩। এবার grubinst_gui টুলটি ডাউনলোড করে রান করুন। রান করতে Administrative পাওয়ার লাগতে পারে। নিচের চিত্র অনুসরণ করে পেনড্রাইভটিতে grub ইন্সটল করুন। grubinst_gui টুলটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে বা এখান থেকে।

৪। এবার হিরেনস বুট সিডির সব ফাইল কপি করুন আপনার পেনড্রাইভে। কোন ফাইল বাদ দেয়া যাবে না।

৫। grub4dos.zip নামে যে ফাইলটি কিছুক্ষণ আগে নামিয়েছে তা থেকে grldr এবং menu.lst নামক ফাইল দুটো আপনার পেনড্রাইভে কপি করুন। ফাইল দুটো  হিরেনস বুট সিডিতেও আছে।

এবার আপনার পেনড্রাইভটি বুট করে দেখুন। হিরেনস বুট সিডি নিয়ে পড়ুন আমার লেখা সেরা বুট সিডি HirensBootCD।  আর ডাউনলোড করতে চায়লে এখান থেকে করতে পারেন।
[ Read More ]

Posted by Copy Paste Hacker 0 comments»

চমতকার জাভা গেমস্

মোবাইলে গেম খেলতে কার না ভাল লাগে ।তাই  আজ আমি আপনাদের সাথে কয়েকটি   Racing গেম শেয়ার করবো 
নিচে নিয়ে নিন দেরি করবেন না দেরি করলেই আপনার জিবনের সবচেয়ে বর মিস
তা আর কথা না বারিয়ে নিচে দিচ্ছি নিয়ে নিন
1 . Spilt Second Valocity N95 EN.jar

ডাউনলোড করুন
2 . Speed Way 2010.jar

ডাউনলোড করুন
3 . Championship Racing (320x240).jar

ডাউনলোড করুন
4 . Driver LA Undercover.jar

















ডাউনলোড করুন
5 . NFS Need for speed most wanted.jar

ডাউনলোড করুন
6 . Knight Rider.jar

ডাউনলোড করুন
7 . 3D Rally Evolution.jar












ডাউনলোড করুন
ধন্যবাদ
আমার সাথে যোগাযোগ বা আমাকে বন্ধু মনে হলে এটি লাইক দিবেন এটা আমার বিশ্বাস
[ Read More ]

Posted by Copy Paste Hacker 0 comments»

এবার নিজেই হয়ে যান ছোট খাটো একজন ওয়েব ডেভলপার

আশাকরি সবাই ভালা আছেন। আমি কিন্তু একদমই ভালো নাই। ভাই আপনাদের কি মন্তব্য করতে কষ্ট লাগে। আর আপনারা মন্তব্য করতে চান নাই বা কেন? আপনারা যদি মন্তব্য না করে  তাহলে আমরা বুঝবো কিভাবে যে আমাদের টিউন গুলো ভালো হচ্ছে কিনা। আমার প্রথম টিউনটিতে ১১ টা প্রিয় আর ২১০০ টা ডাউনলোড। কিন্তু মন্তব্য মাত্র ৫টা। এখন ভাই আমি কি নতুন টিউনার বলে এই দশা নাকি আমার টিউন টা ভালো হয় নাই বুঝতে পারতেছি না।
আপনারা হয়ত ভাবতেছেন টাইটেল দিছি ওয়েব ডেভালাপার কিন্তু কথা বলতেছি মন্তব্যের। মন্তব্যের সাথে ওয়েব ডেভালাপইং এর সম্পর্কটা কি? না মন্তব্য এর সাখে ওয়েব এর কোন সম্পর্ক নাই কিন্তু কষ্ট লাগে।
আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিছু ওয়েব ডেভালাপিং এর বই নিয়ে। এইসব বইগুলোর খেকে আপনারা আশাকরি বেসিক ভালো ধারনা পাবেন। এখানে আছে php, sql database, css, JavaScript, HTML, hosting এর বেসিক ধারনা। এবং এর মাধ্যমে যদি আপনি একটু উপকৃত হন তাহলেই আমি খুশি।
আর বলে রাখা ভালো আমি এইগুলো ওয়েবে সার্চ করে পাইছি। এগুলো আমার লেখা না বা আমি বানাইনি। এগুলোর সম্পূর্ন উৎস ইন্টারনেট। আর আপনারা যদি আগে পেয়ে থাকেন তাহলে ক্ষমা করবেন। আর আপনাদের মন্তব্যের উপর নির্ভর করে আমি নিজে এই টিউনটা রিমুভ করে দিতে রাজি আছি।
তাহলে ডাউনলোড করূন আর হয়ে যান ডেভালাপার।
ডাউনলোড করুন এখান থেকে
http://199.91.154.11/mectxbb3v8hg/5b9hl6e3tw36lel/pdf+book+of+web+devloping.rar
[ Read More ]

Posted by Copy Paste Hacker 0 comments»

setup.iss ফাইলের মাধ্যমে সাইলেন্ট ইনস্টল তৈরি+সাইবারলিংক পাওয়ার ডিভিডি অটোইনস্টল (ByKamrulcox)

যেকোন সফটওয়ারকে অটোমেটিক ইনস্টল করার নাম হল সাইলেন্ট ইনস্টল। অর্থাৎ ডাবল ক্লিক করার সাথে সাথে সফটওয়ারটি ইনস্টল শুরু হয়ে যাবে এবং ইনস্টল শেষ হওয়া পর্যন্ত ইউজারকে আর কিছু করতে হবে না। সফটওয়ারকে সাইলেন্ট ইনস্টল করার অনেক পদ্ধতি আছে। তম্মধ্যে setup.iss ফাইলের মাধ্যমে ইনস্টলের কাজটি অত্যন্ত সহজ, এমনকি যারা নতুন ইউজার তাদের জন্যও। আজকে এ বিষয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করবো।

কোন কোন সফটওয়ারে এ পদ্ধতি কাজ করবেঃ
যারা প্রোগ্রামিং এর কাজ করে বা সফটওয়ার তৈরি করে তারা সফটওয়ার প্রস্তুত করার পর ঐটিকে প্যাক করার জন্য বিভিন্ন সফটওয়ার ব্যবহার করে থাকে। ঐ সমস্ত software packager এর মধ্যে অতী জনপ্রিয় একটি হল InstallShield। এর মাধ্যমে যে সব সফটওয়ার প্যাক করা হয়ে থাকে শুধু মাত্র সে সব সফটওয়ারের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতিটি কাজে লাগবে। সাইবার লিংক, এডবি থেকে শুরু করে নামকরা প্রায় প্রত্যেক সফটওয়ার ডেভলপাররা তাদের সফটওয়ার প্যাক তৈরি করার জন্য InstallShield ব্যবহার করে থাকেন। তাছাড়া প্রায় প্রত্যেক মাদারবোর্ড ড্রাইভার এ সফটওয়ারটি দিয়ে প্যাক করা হয়।
কিভাবে বুঝা যাবে সফটওয়ারটিতে InstallShield ব্যবহার করা হয়েছেঃ
কোন সফটওয়ারকে রান করালে শুরুতে যে উইন্ডো আসে তারউপরে বামপাশে InstallShield লেখাটা দেখেই আপনি বুঝে নিতে পারেন যে সফটওয়ারটি InstallShield দিয়ে প্যাক করা হয়েছে এবং এটিতে আপনি setup.iss ফাইলটির কাজ করতে পারবেন। তাছাড়া কিছু কিছু সফটওয়ারের ওয়েবসইটে উল্লেখ করা থাকে কোন packager ব্যবহার করা হয়েছে। না থাকলে যোগাযোগ করে জেনে নেওয়া যায়। অনেক সময় কিছু কিছু সফটওয়ারে setup.iss ফাইলটি সফটওয়ার প্যাকের সাথে দেয়া থাকে। তাহলে আর কষ্ট করে এটি তৈরি করার দরকার নেই।
কয়েকটি স্ক্রীনশট দেখুন যা দেখে বুঝে নিতে পারবেন InstallShield সফটওয়ারগুলো।
কিভাবে তৈরি করতে হবেঃ
এখানে সামান্য কয়েকটা ডস কামন্ড ব্যবহার করতে হবে। সুইচগুলো নিম্নরূপঃ
/r or -r  বা /R Or -R
/f1 or -f1
Notepad খুলে লেখুন setup.exe-r এবং setup.bat নামে সেভ করুন একই ফোল্ডারে যে ফোল্ডারে আপনার সফটওয়ারটি আছে।
এখানে setup.exe হল সেটাপ ফাইলটি যেটার মাধ্যমে সফটওয়ারটি রান করা হবে। অন্য নাম থাকলেও setup.exe করে নেয়াটা ঝামেলামুক্ত। -r হল কমান্ড সুইচ। এ কমান্ড সুইচটি আপনার পুরো ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত setup.iss নামক একটি ফাইলে সেভ করে রাখবে। ফাইলটি নোটপ্যাড দিয়ে খুলা যাবে। আপনি আপনার ইচ্ছেমত সেটাপ করে যাবেন, সেটাপের সময় যত অপশন আছে তা মনের মত ব্যবহার করতে পারেন। একদম শেষ পর্যায়ে এসে Restart, Vew Read me file বা এরকম কোন মেসেজ পেলে ওকে দেবেন না। অর্থাৎ Restart চাইলে দেবেন না। সেটাপ শেষে C:\WINDOWS setup.iss নামে একটি ফাইল দেখতে পাবেন। ঐটিই হল আপনার সমস্ত ইনস্টলেশনের রেকর্ড। আপনি চায়লে C:\WINDOWS এর পরিবর্তে পছন্দের জায়গা ঠিক করে দিতে পারেন। তখন কমান্ডটি হবে নিম্নরূপঃ
Setup.exe -r -f1″c:\temp\example.iss”
এখানে -f1 হল রেকর্ড ফাইলটি নির্দিষ্ট জায়গায় সেভ করার কমান্ড। আর ″c:\temp\example.iss” মানে বুঝতেই পারছেন। c:\tempexample.iss নামে সেভ হবে। ঠিকানাটি আপনার পছন্দমত ব্যবহার করতে পারেন।
চলুন আমরা সাইবার লিংক সফটওয়ারটি দিয়ে কাজটি শুরু করিঃ
এ জন্য আগে থেকে সাইবার লিংক পাওয়ার ডিভিডি ইনস্টল করা থাকলে তা প্রথমে আনইনস্টল করুন। কিছুক্ষণ আগে setup.exe-r কমান্ড দিয়ে setup.bat নামে যে ফাইলটি সেভ করেছেন সেটি ডাবল ক্লিক করুন/রান করুন। ডসের উইন্ডোটি খুলবে, সঙ্গে আপনার সেটাপ প্রক্রিয়াও শুরু হবে নিচের মত।
আপনি আপনার মত করে সেটাপের কাজ চালিয়ে যান। প্রোডাক্ট কী দরকার হলে তাও দেবেন। সবশেষে Vew the read me file টি দেখবেন। এটি থেকে ঠিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Finish দিন।
তাহলে সেটাপ শেষ হবে এবং ডসের উইন্ডোটাও চলে যাবে। এবার C:\WINDOWS এ গিয়ে দেখুন setup.iss ফাইলটি তৈরি হয়ে গেছে।
ওটা Notepad এ খুলে দেখতে পারেন। ওখানে প্রথমে InstallShield এর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থাকবে, তারপর সফটওয়ারটির বর্ণনা, এরপর আপনি সেটাপের সময় কতটা ডায়ল বক্স বা উই্ন্ডো পেয়েছেন তাতে হাঁ বা না কি কমান্ড দিয়েছেন তার বর্ণনা পাবেন। আপনি ফাইলটি এডিটও করতে পারেন যদি মনে করেন সেটাপের কিছু কিছু কমান্ড পরিবর্তন করবেন। পরিবর্তন করার জন্য Result= লাইনটাতে শুধু 0 কিংবা 1 দিতে পারেন। এ দুটি ভেল্যু ছাড়া বাকিগুলো পরিবর্তন করা যাবে না। তাছাড়া কোন কিছু পরিবর্তন না করাই ভাল।
সাইলেন্ট কমান্ডঃ
কিছুক্ষণ আগে যে setup.iss ফাইলটি তৈরি করেছি তা কপি করে সফটওয়ার ফোল্ডারটিতে নিয়ে আসুন যেখানে আমরা setup.bat নামের ফাইলটাও রেখেছিলাম।
এবার setup.bat ফাইলটি নোটপ্যাডে খুলুন এবং আগের লেখাটাতে –r এর জায়গায় /s লেখুন। তাহলে কমান্ডটি হবে setup.exe/s ফাইলটি সেভ করুন একই জায়গায়। 
এবার setup.bat ফাইলটি ডাবল ক্লিক করে দেখুন। আপনার সফটওয়ারটি আপনাকে কোন কিছু না বলে সেটাপ শুরু করে দিয়েছে। শুধু ডসের উইন্ডোটি দেখতে পাবেন। সেটাপ শেষ হলে এটি এমনিতেই চলে যাবে। কাজটি করার জন্য আগে থেকে সেটাপ থাকা সাইবার লিংক পাওয়ার ডিভিডি আনইনস্টল করুন।
SETUP FILE তৈরিঃ
আপনি চায়লে উপরের পদ্ধতিটি করার পর SFX Maker দিয়ে সেটাপ ফাইল তৈরি করতে পারেন আমার মত। এজন্য sfx Maker রান করে নিচের ছবিটি দেখুন।
প্রথমে Directory থেকে সফটওয়ারের ফোল্ডারটি দেখিয়ে দেবেন, তারপর File to run এর জায়গায় setup.exe, Silent Switch এর জায়গায় সুইচটা (/s), SFX Path এর জায়গায় ফাইলটি কোথায় সেভ করবেন, Compression Label =Normal দিয়ে Create এ ক্লিক করুন। আমার দেয়া ক্রমিক নং অনুযায়ী কাজগুলো করে আসুন। এর ফলে যে .exe ফাইলটি তৈরি হবে সেটি হবে আপনার পুরো সফটওয়ারটি ।আর এটি এমনভাবে সেটাপ হবে যে আপনি ডেস্কটপে আইকন দেখেই কেবল বুঝতে পারবেন সেটাপ হয়েছে।
সাইবার লিংক পাওয়ার ডিভিডিঃ
আমি এ পদ্ধতিতে পাওয়ার ডিভিডির তিনটা ভার্সনের সাইলেন্ট ইনস্টল তৈরি করেছি। আপনাদেরকে দুটি শেয়ার করলাম।
সাইবার লিংক পাওয়ার ডিভিডি 10 আল্ট্রা থ্রী-ডি
সাইবার লিংক পাওয়ার ডিভিডি 7.0
এটি সেভেনে কাজ করবে। যারা সেভেন ব্যবহার করেন তারা এটি ব্যবহার করে ডিভিডি চালালেই কেবল বুঝতে পারবেন কত দারুন সফটওয়ার এটি। সাইবার লিংক এর ফোরামে দেখেছি এটি এক্সপিতে সমস্যা করে। তাই আমি এক্সপি ইউজারদের ব্যবহার করতে পরামর্শ দিচ্ছি না।
এটি এক্সপি/সেভেন দুটোতেই কাজ করবে। আমি এক্সপিতে টেষ্ট করেছি। ভালভাবেই চলছে। বাকিটুকু আপনার টেষ্ট করে দেখবেন। তবে আমি পরামর্শ দেবো যারা সেভেন ইউজার তারা যেন 10 আল্ট্রা থ্রী-ডি ভার্সনটা ব্যবহার করে।
ভাল লাগলে কমেন্টস করতে ভুলবেন না।
[ Read More ]

Posted by Copy Paste Hacker 0 comments»
HTML Comment Box is loading comments...